Oceanic Blogger Template

Sponsored by

Monday, September 27, 2010

Saturday, January 16, 2010

নারী ও আকাশ

১.
আকাশের রং ক্ষনে ক্ষনে বদলায়।
নারীর মন প্রতি মুহুর্তে বদলায়।

২.আকাশের সীমানা খুঁজে পাওয়া যায়না।
নারীর মন বুঝা যায়না।

৩.আকাশ ছুটে যায় দিগন্তের পানে।
নারী ছুটে যায় বিত্তের টানে।

৪.আকাশ সৌন্দর্য পিপাসুদের আকৃষ্ট করে।
নারী প্রেম পিপাসুদের কাছে টানে।

৫.আকাশ মাঝে মাঝেই গর্জে উঠে।
নারীরা ছেলেদের মোবাইলে মিসকল দেয়।

৬.আকাশের মাঝে বিচরন করে শত শত পাখ পাখালি।
নারীর মনে বিচরন করে শত শত পুরুষ।

মেয়েদের হেডকোয়ার্টার, মগজ, ঘিলু

প্রকৃতিগত ভাবে একজন পুরুষের শরীরের তুলনায় মেয়েদের শরীরের আকৃতি যেমন ছোট তেমনি হেডকোয়ার্টার, মগজ, ঘিলু যাই বলুন না কেন মেয়েদের সেটাও পুরুষের তুলনায় দশ বা পনেরো ভাগ ছোট। কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তি, হৃদয়বৃত্তি, আবেগ, সন্তান পালন এমনকি স্মরণশক্তি মেয়েদের ব্রেনেই বেশি। বিশ্বাস হচ্ছে না? চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু তাই বলে।ধরুন বন্ধুর বাসায় গিয়েছেন। একজন পুরুষ তার বন্ধুর বউয়ের চেহারা ও ফিগার ভাল মতো মনে রাখে। কিন্তু বন্ধুপত্নীর পরনের শাড়ির রং তার দাম এবং কোথায় পাওয়া যাবে তার কিছুই জানেন না বা জানতে চান না। কিন্তু একজন নারী তা ঠিকই জেনে নেন এবং মনে রাখেন। আসলে ছেলে এবং মেয়েদের ব্রেন একই কাজ করে কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে। দেখা গেল নখের ময়লা পরিষ্কার করতে পুরুষের মস্তিষ্কের ডান দিক কাজ করে কিন্তু মেয়েদের মাথার দুই পাশের ব্রেনের নিউরন জ্বলে উঠে রাতের লাসভেগাস হোটেলের আলোক সজ্জার মতো। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে মনোসংযোগের দিকেও মেয়েরা এগিয়ে। পুরুষেরা কুকুরের ডাক, কলিংবেল এমনকি টেলিফোনের শব্দ এড়িয়ে ছবি দেখা, বই পড়া কিংবা পেপার পড়ার দিকে মনোসংযোগ করতে পারে কিন্তু মেয়েরা তো পারে না। ঠিকই তাদের কানে ধরা পরে কুকুরের ডাক, টেলিফোন কিংবা কলিংবেল বাজার শব্দ।সুখ এবং দুঃখ আগে ধরা দেয় মেয়েদের কাছে। সহ্য করার মতাও তাদের বেশি। পুরুষের সুখের এক্সপ্রেশন যত বেশি, দুঃখে নেশা করা বা দেবদাস হবার প্রবণতাও সে রকম বেশি। কিন্তু মেয়েরা থাকতে পারে রিজার্ভ। মেয়েরা শোনে তাড়াতাড়ি এবং করেও তাড়াতাড়ি। একজন মেয়ে বা নারী চলার পথে রাস্তার দুই পাশের বিভিন্ন দোকানের স্টলের নাম ভাল মনে রাখতে পারে। মজার ব্যাপার হচ্ছে মেয়েদের ব্রেনের চেয়ে ছেলেদের ব্রেন বুড়ো হয় তাড়াতাড়ি। বিজ্ঞানীরা আরো বলছেন, মেয়েদের ত্যাগের ইচ্ছেও বেশি। যেমন একজন পুরুষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলতেই পারেন আমি তো রামকৃষ্ণ মিশন খুলে বসিনি যে আমার পাজামার ফিতা খুলে দিবো অন্যের মশারি টানাতে। কিন্তু একজন নারীর ঝামেলা অনেক তাকে আত্মরক্ষার জন্য পাজামার ফিতাটা টাইট করে বাঁধতে হয়। তারপরও চলাফেরা থেকে শুরু করে নিরাপত্তার দায়ভার এবং সন্তান লালনের ব্যাপারেও নারীকেই ভাবতে হয়। সুতরাং মেয়েদের মাথা বেশি কাজ করবে এটাই স্বাভাবিক। তবুও দুঃখ হচ্ছে এই যে, মেয়েদের ব্রেন বেশি কাজ করলেও পৃথিবীতে পুরুষ বিজ্ঞানীর সংখ্যা নারীদের তুলনায় অনেক অনেক বেশি। এমনকি শেফ, পাচক, বাবুর্চি যে নামেই ভাবা হোক না কেন নারীদের তুলনায় পুরুষরাই এ ক্ষেত্রে বেশি এগিয়ে। হয়তো সবক্ষেত্রেই। শিশুদের মতো সব কিছুতেই নারীদের জন্য হ্যাঁ বলুন। আরো বিকশিত হোক নারীদের মস্তিষ্ক ব্যবহার।

ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্ধ, কবে হবে বন্ধ?

আমেরিকার সাথে ইরাক বা আফগানিস্থানের দ্্বন্ধ কিংবা দুই কোরিয়ার মাঝে রেষারেষি এক ধরনের নতুন ডাইমেনশন হলেও একই মায়ের গর্ভ থেকে জম্ম নিয়ে, একই বাপের সংসারে বড় হয়ে, এক ডেকচির ভাত খেয়েও ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্ধ কিন্তু পৃথিবীর শুরু থেকেই ছিল। পৃথিবীতে মানব জাতির আগমনের পরপরই হাবিল আর কাবিলের মাধ্যমে ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্ধের সূত্রপাত। ফলাফল ছিল কাবিলের হাতে হাবিলের মৃত্যু। আজ আমরা মসজিদে বসে, আড্ডায় বসে, ঘরে বসে হাবিলের জন্য বিলাপ করি, কাবিলকে অভিসম্পাত দেই। কিন্তু একবার কি নিজের ঘরের খবর রাখি? দু'ভাইয়ে মাঝে যে কথা ছমাস ধরে বন্ধ সে ব্যাপারে কি কোন সমাধান খুজি? খুজি না! ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্ধ চলছে যে পৃথিবীতে সে পৃথিবীতে দু'একটি ঘটনা আমাদেরকে সত্যিই অবাক করে। ঘটনাটি খোদ বাংলাদেশের পাবনা জেলার ভাঙ্গুরার। সেখানে একটি পরিবারের আপন চার ভাই অন্য একটি পরিবারের আপন চারটি বোনকে বিয়ে করেছে। তারা দিনও কাটাচ্ছে সুখে-শান্তিতে। শুধু তাই নয়। এ ব্যপারটি স্থান করে নিয়েছে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। একবার ভেবে দেখা দরকার কতটুকু মিল মহব্বত থাকলে এটা সম্ভব! ইদানিং আমাদের দেশে ভাইয়ে-ভাইয়ের দ্বন্ধের এ ডাইমেনশন রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের ঘাড়ে ভর করেছে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সাথে তার ভাই লতিফ সিদ্দিকীর দ্বন্ধ , হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সাথে তার ভাই জি.এম. কাদেরের দ্বন্ধ (এখন অবশ্য লোক দেখানো মিল আছে!), নারায়ণগঞ্জের শওকত ওসমানের সাথে তার ভাই শামীম ওসমানের দ্বন্ধ চলছে অনেকদিন ধরে, চলবে হয়তো আরো অনেকদিন। ইত্তেফাক পত্রিকার মালিকানা ও ব্যবসা নিয়ে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং মইনুল হোসেনের মধ্যে যে দ্বন্ধ সেটা সর্বজন বিদিত। এই দুইজনের দ্বন্ধে মানুষ খুন হয়, পত্রিকা বন্ধ থাকে মাঝে মাঝেই! তবে তাদেরকে ছাড়া আরো অনেক রাজনৈতিক নেতা কমী আছেন যারা এক ভাই আরেক ভাইয়ের মুখতো দূরের কথা ছায়াটা পর্যন্ত মাড়াতে চাননা। হাবিল-কাবিলের দ্বন্ধ মিটাতে ঐশ্বরিক ফায়সালা ছিল। কিন্তু বর্তমানে চারিদিকে ভাইয়ে ভাইয়ে যে সব দ্বন্ধ চলছে তা কে মিটাবে?

ছাগলে কী না খায়!

কথায় বলে পাগলে কী না বলে আর ছাগলে কী না খায়! কথাটা আসলে কতটুকু সত্যি তা ভেবে দেখা দরকার। সবকিছু খাবারের দোষ ছাগলের ঘাড়ে দেয়া ঠিকনা। কেননা শুধু ছাগলই নয় আমাদের ভদ্র সমাজের মানুষেরা যে আরো কত রকমের উদ্ভট খাবার খায় তা নিচের ব্যপারগুলো খেয়াল করলেই বুঝা যাবে-

১.
একটি বড়সড় ভোজ সভার একটি বড় প্লেটে কতজনকে একসাথে খাওয়ানো যেতে পারে তা ভাবতে পারেন ? যদি পারেন তাহলে চুপ থাকেন, আওয়াজ দিয়েন না, আর যদি না পারেন তবে পড়ূন এবং জেনে নিন! ১৯৮৭ সালের ২৬ জুন স্পেনের মাদ্রিদের এক ভোজসভায় একপ্লেটে করে ত্রিশ হাজার লোককে একসাথে খাওয়ানো হয়েছিল! ঐ প্লেটটিতে সর্বসাকুল্যে ১৩ হাজার কিলোগ্রাম পোলাও পরিবেশন করা হয়েছিল! ১৯ জন বাবুর্চি ৬দিন ধরে এ পোলাও রান্না করেছিল। তবে এর আগেকার রেকর্ডটি ছিল একসাথে একটি প্লেট থেকে ১৫ হাজার লোককে খাওয়ানোর!

2.
১৯৮৭ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর নেহাতই খেয়ালের বশে কাঁচ খেতে শুরু করেন ভারতের পুনে রাজ্যের ধনঞ্জয় কুলকার্নি। কিছুক্ষন খাবার পর বিশ্বরেকর্ড গড়ার চিন্তাটা তার মাথায় আসে । আর তারই রেশ ধরে টানা দশটি ঘন্টা টিউবলাইট,বোতল, বাল্ব, ইঞ্জেকশনের অ্যাম্পুল থেকে শুরু করে বিভিন্নকাঁচ জাতীয় দ্রব্য খেয়েছিলেন । যার সর্বমোট ওজন ছিল ২ হাজার ৬ শত গ্রামেরও উপরে!

৩.
হঠাৎ পেট ফুলে উঠায় ১৯৭৯ সালে ডিসেম্বরে এক ব্যক্তি ডাক্তারের শরনাপন্নহলেন। ডাক্তার চেকআপ করে অবাক হয়ে গেলেন। পরীক্ষায় দেখা গেল ঐ ব্যক্তির পেটে ছুরি, সেপটিপিন, পেরেক, পয়সা, ঘড়ির ডায়াল, সোনার হার সহ অন্যান্য জিনিস! ঘটনার বিবরনে জানা যায় ১৯৬৬ সালের দিকে লোকটি একবার পাগল হয়ে গিয়েছিল এবং পাগলামীর বশবতর্ী হয়েই এসব জিনিস খেয়েছিল!

৪.
বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের বদৌলতে কিছুদিন আগে পুরাণ ঢাকার একটি অদ্ভুত আচরণের শিশু বাচ্চার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। বাচ্চাটি সাধারন খাবারের মত করেই শুকনো মরিচ ভেঁজে ভেঁজে খেতো। ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের সাক্ষাৎকারে সে বলেছিল অচিরেই মরিচ খাওয়া সে ছেড়ে দেবে। কিন্তু আমাদের জানা নেই সে আদৌ মরিচ খাওয়া ছেড়েছে কিনা!

৫.
বেশ ক'বছর আগে ভারতের যোধপুরে একটি ছেলের সন্ধান পাওয়া যায় যার পেটে অপারেশন করে পাওয়া গিয়েছিল চুলের দলা পাকানো এক মন্ড। যার ওজন ছিল এক কেজিরও বেশী। পরবতর্ীতে জানা যায় ১৬ বছর ধরে একটানা নিজের মাথার চুল খেয়ে খেয়েই তার এ অবস্থা হয়েছে। অন্যদিকে পাঞ্জাবের এক বালিকার পেটে অপারেশান চালিয়েও এ ধরনের চুলের দলা পাওয়া যায়! তবে ঐ ছেলের মতো সে নিজের চুল নয়, যখন যার চুল পেয়েছে তাই খেয়েছে! তাছাড়া সে পশুর গায়ের লোমও খেয়েছিল বলে জানা যায়!

বিঃদ্রঃ
দয়া করে কোন পাঠক এ ধরনের আজগুবি খাবার দাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়েন না।

প্রেম এবং ভালবাসায়

প্রেম এবং ভালবাসার ক্ষেত্রে অনেক কিছুই ছাড় দিতে হয়। আবার অনেক কিছুকেই আকড়ে ধরতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয় আছে যা ছাড়লেও সমস্যা আবার না ছাড়লেও সমস্যা। আসুন সে ধরনের কিছু বিষয় দেখি:
১.যদি আপনার প্রেমিকাকে আপনি চুমো খান তবে তার মতে আপনি ভদ্রলোক নন। কিন্তু তাকে যদি চুমু না খান তবে তার মতে আপনি মানুষই নন।
২.যদি আপনি প্রেমিকার প্রশংসা করেন তবে তার মতে আপনি মিথ্যুক। কিন্তু যদি তার প্রশংসা না করেন তবে তার মতে আপনি একেবারে আনরোমান্টিক।
৩.যদি আপনি আপনার প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গিয়ে এক মিনিট দেরী করেন তাহলে আপনি তার মতে আপনি একটা সময় জ্ঞানহীন মানুষ। কিন্তু সে নিজে দেরী করলে সেটাকে সে দেরী মনেই করবেনা।
৪.যদি আপনার প্রেমিকার সাথে আপনি নিয়মিত দেখা করেন কিংবা করতে চান তবে তার মতে আপনি একটা বিরক্তকর লোক।কিন্তু যদি আপনি তা না করেন তবে তার মতে আপনি তাকে ভালবাসেন না।
৫.যদি আপনি সবসময় পরিপাটি থাকেন তবে আপনার প্রেমিকার মতে আপনি নতুন প্রেমের ধান্দায় ঘুরছেন। কিন্তু যদি তা আপনি না করেন তবে তার মতে আপনি অগোছালো একটা মানুষ।
৬.যদি আপনি আপনার প্রেমিকাকে নিয়ে ঈষর্াবোধ করেন তবে তার মতে এটা আপনার বদভ্যাস। কিন্তু আপনি যদি তা না করেন তবে তার মতে আপনি তাকে ঠিকমত ভালবাসেন না।
৭.যদি আপনার প্রেমিকাকে আপনি আদর করতে যান তবে তার মতে আপনি তাকে সম্মান করেন না। কিন্তু যদি আপনি তা না করেন তবে তার মতে আপনি তাকে পছন্দ করেন না কিংবা আগের মত পছন্দ করছেন না।
৮.আপনি অন্য মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব রাখলে আপনার প্রেমিকার মতে আপনি তাকে ঠকাচ্ছেন। কিন্তু সে যদি সেটা করে তবে তার মতে সেটাই স্বাভাবিক।
৯.যদি আপনি আপনার প্রেমিকার সাথে কথা বলতে থাকেন তবে সে আপনাকে থামিয়ে দিয়ে নিজে বলতে শুরু করবে। কিন্তু যদি আপনি চুপ থাকেন তবে সে আপনার মুখের কথা শুনতে চাইবে এবং আপনি গোমড়ামুখো লোক এ অভিযোগ তুলবে।
১০.আপনি যদি আপনার প্রেমিকাকে আরো ভালবাসতে চান তবে সেটাকে আপনার দূর্বলতা ভেবে দুরে সরতে থাকবে। কিন্তু যদি আপনি তাকে এড়িয়ে যেতে চান তবে সে আপনার পিছনে আঠার মত লেগে থাকতে চাইবে।

বিঃদ্রঃ ভাই, আপনি কী করবেন সেটা আপনার ব্যপার। এ ব্যপারে আমাকে জড়ায়েন না।

Thursday, January 14, 2010

গণিতের মজার ইস্কুল

গণিতের মজার ইস্কুল-১

১ x ৯ + ২ = ১১
১২ x ৯ + ৩ = ১১১
১২৩ x ৯ + ৪ = ১১১১
১২৩৪ x ৯ + ৫ = ১১১১১
১২৩৪৫ x ৯ + ৬ = ১১১১১১
১২৩৪৫৬ x ৯ + ৭ = ১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭ x ৯ + ৮ = ১১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭৮ x ৯ + ৯ = ১১১১১১১১১
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৯ +১০= ১১১১১১১১১১

গণিতের মজার ইস্কুল-২
৯ x ৯ + ৭ = ৮৮
৯৮ x ৯ + ৬ = ৮৮৮
৯৮৭ x ৯ + ৫ = ৮৮৮৮
৯৮৭৬ x ৯ + ৪ = ৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫ x ৯ + ৩ = ৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪ x ৯ + ২ = ৮৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪৩ x ৯ + ১ = ৮৮৮৮৮৮৮৮
৯৮৭৬৫৪৩২ x ৯ + ০ = ৮৮৮৮৮৮৮৮৮


গণিতের মজার ইস্কুল-৩
১ x ৮ + ১ = ৯
১২ x ৮ + ২ = ৯৮
১২৩ x ৮ + ৩ = ৯৮৭
১২৩৪ x ৮ + ৪ = ৯৮৭৬
১২৩৪৫ x ৮ + ৫ = ৯৮৭৬৫
১২৩৪৫৬ x ৮ + ৬ = ৯৮৭৬৫৪
১২৩৪৫৬৭ x ৮ + ৭ = ৯৮৭৬৫৪৩
১২৩৪৫৬৭৮ x ৮ + ৮ = ৯৮৭৬৫৪৩২
১২৩৪৫৬৭৮৯ x ৮ + ৯ = ৯৮৭৬৫৪৩২১

Sponsors

'আমিতো আসলাম, কোনো যানজট দেখলাম না। মাঝেমধ্যে সেতুতে ওঠার সময় কিছু পুরোনো যান বিকল হয়ে গেলে যানজট হয়। এধরনের নিউজ ছাপা না হলেই ভালো।' -যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন-কাঁচপুর সেতুর যানজট প্রসঙ্গে।

Followers

 

Copyright © 2009 azobdesh-bangladesh fun | Designed by Simrandeep Singh