Oceanic Blogger Template

Sponsored by

Saturday, January 16, 2010

মেয়েদের হেডকোয়ার্টার, মগজ, ঘিলু

প্রকৃতিগত ভাবে একজন পুরুষের শরীরের তুলনায় মেয়েদের শরীরের আকৃতি যেমন ছোট তেমনি হেডকোয়ার্টার, মগজ, ঘিলু যাই বলুন না কেন মেয়েদের সেটাও পুরুষের তুলনায় দশ বা পনেরো ভাগ ছোট। কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তি, হৃদয়বৃত্তি, আবেগ, সন্তান পালন এমনকি স্মরণশক্তি মেয়েদের ব্রেনেই বেশি। বিশ্বাস হচ্ছে না? চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু তাই বলে।ধরুন বন্ধুর বাসায় গিয়েছেন। একজন পুরুষ তার বন্ধুর বউয়ের চেহারা ও ফিগার ভাল মতো মনে রাখে। কিন্তু বন্ধুপত্নীর পরনের শাড়ির রং তার দাম এবং কোথায় পাওয়া যাবে তার কিছুই জানেন না বা জানতে চান না। কিন্তু একজন নারী তা ঠিকই জেনে নেন এবং মনে রাখেন। আসলে ছেলে এবং মেয়েদের ব্রেন একই কাজ করে কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে। দেখা গেল নখের ময়লা পরিষ্কার করতে পুরুষের মস্তিষ্কের ডান দিক কাজ করে কিন্তু মেয়েদের মাথার দুই পাশের ব্রেনের নিউরন জ্বলে উঠে রাতের লাসভেগাস হোটেলের আলোক সজ্জার মতো। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে মনোসংযোগের দিকেও মেয়েরা এগিয়ে। পুরুষেরা কুকুরের ডাক, কলিংবেল এমনকি টেলিফোনের শব্দ এড়িয়ে ছবি দেখা, বই পড়া কিংবা পেপার পড়ার দিকে মনোসংযোগ করতে পারে কিন্তু মেয়েরা তো পারে না। ঠিকই তাদের কানে ধরা পরে কুকুরের ডাক, টেলিফোন কিংবা কলিংবেল বাজার শব্দ।সুখ এবং দুঃখ আগে ধরা দেয় মেয়েদের কাছে। সহ্য করার মতাও তাদের বেশি। পুরুষের সুখের এক্সপ্রেশন যত বেশি, দুঃখে নেশা করা বা দেবদাস হবার প্রবণতাও সে রকম বেশি। কিন্তু মেয়েরা থাকতে পারে রিজার্ভ। মেয়েরা শোনে তাড়াতাড়ি এবং করেও তাড়াতাড়ি। একজন মেয়ে বা নারী চলার পথে রাস্তার দুই পাশের বিভিন্ন দোকানের স্টলের নাম ভাল মনে রাখতে পারে। মজার ব্যাপার হচ্ছে মেয়েদের ব্রেনের চেয়ে ছেলেদের ব্রেন বুড়ো হয় তাড়াতাড়ি। বিজ্ঞানীরা আরো বলছেন, মেয়েদের ত্যাগের ইচ্ছেও বেশি। যেমন একজন পুরুষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলতেই পারেন আমি তো রামকৃষ্ণ মিশন খুলে বসিনি যে আমার পাজামার ফিতা খুলে দিবো অন্যের মশারি টানাতে। কিন্তু একজন নারীর ঝামেলা অনেক তাকে আত্মরক্ষার জন্য পাজামার ফিতাটা টাইট করে বাঁধতে হয়। তারপরও চলাফেরা থেকে শুরু করে নিরাপত্তার দায়ভার এবং সন্তান লালনের ব্যাপারেও নারীকেই ভাবতে হয়। সুতরাং মেয়েদের মাথা বেশি কাজ করবে এটাই স্বাভাবিক। তবুও দুঃখ হচ্ছে এই যে, মেয়েদের ব্রেন বেশি কাজ করলেও পৃথিবীতে পুরুষ বিজ্ঞানীর সংখ্যা নারীদের তুলনায় অনেক অনেক বেশি। এমনকি শেফ, পাচক, বাবুর্চি যে নামেই ভাবা হোক না কেন নারীদের তুলনায় পুরুষরাই এ ক্ষেত্রে বেশি এগিয়ে। হয়তো সবক্ষেত্রেই। শিশুদের মতো সব কিছুতেই নারীদের জন্য হ্যাঁ বলুন। আরো বিকশিত হোক নারীদের মস্তিষ্ক ব্যবহার।

No comments:

Post a Comment

Sponsors

'আমিতো আসলাম, কোনো যানজট দেখলাম না। মাঝেমধ্যে সেতুতে ওঠার সময় কিছু পুরোনো যান বিকল হয়ে গেলে যানজট হয়। এধরনের নিউজ ছাপা না হলেই ভালো।' -যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন-কাঁচপুর সেতুর যানজট প্রসঙ্গে।

Followers

 

Copyright © 2009 azobdesh-bangladesh fun | Designed by Simrandeep Singh