কথায় বলে পাগলে কী না বলে আর ছাগলে কী না খায়! কথাটা আসলে কতটুকু সত্যি তা ভেবে দেখা দরকার। সবকিছু খাবারের দোষ ছাগলের ঘাড়ে দেয়া ঠিকনা। কেননা শুধু ছাগলই নয় আমাদের ভদ্র সমাজের মানুষেরা যে আরো কত রকমের উদ্ভট খাবার খায় তা নিচের ব্যপারগুলো খেয়াল করলেই বুঝা যাবে-
১.
একটি বড়সড় ভোজ সভার একটি বড় প্লেটে কতজনকে একসাথে খাওয়ানো যেতে পারে তা ভাবতে পারেন ? যদি পারেন তাহলে চুপ থাকেন, আওয়াজ দিয়েন না, আর যদি না পারেন তবে পড়ূন এবং জেনে নিন! ১৯৮৭ সালের ২৬ জুন স্পেনের মাদ্রিদের এক ভোজসভায় একপ্লেটে করে ত্রিশ হাজার লোককে একসাথে খাওয়ানো হয়েছিল! ঐ প্লেটটিতে সর্বসাকুল্যে ১৩ হাজার কিলোগ্রাম পোলাও পরিবেশন করা হয়েছিল! ১৯ জন বাবুর্চি ৬দিন ধরে এ পোলাও রান্না করেছিল। তবে এর আগেকার রেকর্ডটি ছিল একসাথে একটি প্লেট থেকে ১৫ হাজার লোককে খাওয়ানোর!
2.
১৯৮৭ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর নেহাতই খেয়ালের বশে কাঁচ খেতে শুরু করেন ভারতের পুনে রাজ্যের ধনঞ্জয় কুলকার্নি। কিছুক্ষন খাবার পর বিশ্বরেকর্ড গড়ার চিন্তাটা তার মাথায় আসে । আর তারই রেশ ধরে টানা দশটি ঘন্টা টিউবলাইট,বোতল, বাল্ব, ইঞ্জেকশনের অ্যাম্পুল থেকে শুরু করে বিভিন্নকাঁচ জাতীয় দ্রব্য খেয়েছিলেন । যার সর্বমোট ওজন ছিল ২ হাজার ৬ শত গ্রামেরও উপরে!
৩.
হঠাৎ পেট ফুলে উঠায় ১৯৭৯ সালে ডিসেম্বরে এক ব্যক্তি ডাক্তারের শরনাপন্নহলেন। ডাক্তার চেকআপ করে অবাক হয়ে গেলেন। পরীক্ষায় দেখা গেল ঐ ব্যক্তির পেটে ছুরি, সেপটিপিন, পেরেক, পয়সা, ঘড়ির ডায়াল, সোনার হার সহ অন্যান্য জিনিস! ঘটনার বিবরনে জানা যায় ১৯৬৬ সালের দিকে লোকটি একবার পাগল হয়ে গিয়েছিল এবং পাগলামীর বশবতর্ী হয়েই এসব জিনিস খেয়েছিল!
৪.
বিটিভির একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের বদৌলতে কিছুদিন আগে পুরাণ ঢাকার একটি অদ্ভুত আচরণের শিশু বাচ্চার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। বাচ্চাটি সাধারন খাবারের মত করেই শুকনো মরিচ ভেঁজে ভেঁজে খেতো। ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের সাক্ষাৎকারে সে বলেছিল অচিরেই মরিচ খাওয়া সে ছেড়ে দেবে। কিন্তু আমাদের জানা নেই সে আদৌ মরিচ খাওয়া ছেড়েছে কিনা!
৫.
বেশ ক'বছর আগে ভারতের যোধপুরে একটি ছেলের সন্ধান পাওয়া যায় যার পেটে অপারেশন করে পাওয়া গিয়েছিল চুলের দলা পাকানো এক মন্ড। যার ওজন ছিল এক কেজিরও বেশী। পরবতর্ীতে জানা যায় ১৬ বছর ধরে একটানা নিজের মাথার চুল খেয়ে খেয়েই তার এ অবস্থা হয়েছে। অন্যদিকে পাঞ্জাবের এক বালিকার পেটে অপারেশান চালিয়েও এ ধরনের চুলের দলা পাওয়া যায়! তবে ঐ ছেলের মতো সে নিজের চুল নয়, যখন যার চুল পেয়েছে তাই খেয়েছে! তাছাড়া সে পশুর গায়ের লোমও খেয়েছিল বলে জানা যায়!
বিঃদ্রঃ
দয়া করে কোন পাঠক এ ধরনের আজগুবি খাবার দাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়েন না।


No comments:
Post a Comment